কবিতা আশ্রম — The Quest for Whole. বনগাঁ, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত বাংলা কবিতা ও সাহিত্যের পত্রিকা।
আমাদের কথা
যত রকম মানুষ, তত রকম কবিতা। ঠিকই। সমস্ত রকম সম্ভাবনার নামই হয়তো কবিতা। কিন্তু প্রাথমিক কবি-কবি ভাবের পর কবিতাপ্রয়াসীকে একটা সিদ্ধান্ত নিতেই হবে। আগামী কবিজীবনে সে কাকে গুরুত্ব দেবে বেশি, কবিকে না কবিতাকে ? কবিখ্যাতিই যদি মুখ্য হয়, সেখানে কিছু বলার নেই। অনেক চোরাগলি আছে। কিন্তু রহস্যময়, নাছোড় কবিতাই যদি কবিতা প্রয়াসীর লক্ষ্য হয়, তাকে পরিশ্রম করতে হবে প্রচুর। বাংলা কবিতার নব্য সাধককে ধীরস্থির দাঁড়াতে হবে চর্যাপদ থেকে আজ অবধি বাংলা কবিতাপ্রবাহের সামনে। কী চেয়েছেন, কী রেখে গিয়েছেন পূর্ববর্তী সাধকেরা জানতেই হবে। আয়ত্ত করতে হবে ছন্দ, অলঙ্কার, আর আবহমান বাংলা কবিতার কল্লোল। টের পেতে হবে দেশীয় ঐতিহ্য আর বিদেশী প্রেরণাকে। অনুভব করতে হবে কবিতার নাদ ও নিঝুম।
প্রাককথন
শিল্প এবং সাহিত্য একে অপরের পরিপূরক । যে দেশে শিল্প এবং সাহিত্য ,এই দুই ধারা হাত ধরাধরি করে প্রবাহিত হয়েছে সেই দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উৎকর্ষতা লাভ করেছে।ফ্রান্স , ইটালি ইত্যাদি তার উজ্জ্বল উদাহরণ।শিল্প এবং সাহিত্য সাধনায় ভারত বর্ষ তথা বাংলার ভূমিকা অনস্বীকার্য । অতীতের শিল্পকর্মের জন্যে বাংলা গর্ব করতে পারে। বর্তমানেও প্রতিভার অভাব নেই বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। চিত্র প্রদর্শনী অবশ্যই একজন শিল্পীর সৃষ্টিকর্মের সাথে দর্শকের পরিচয় করিয়ে দেয় , কিন্তু সেটা মুষ্টিমেয় কয়েকজনের মধ্যে , এবং একজন শিল্পীর মননের আলো ছড়িয়ে পড়তে সময়ও লাগে । কবিতা আশ্রমের আশ্রমিকরা এ ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করে , এবং সিধান্ত নেন , তরুণ শিল্পীর প্রতিভা বিকাশের জন্যে কবিতা আশ্রম প্রতি মাসে মনোনীত প্রতিশ্রুতিমান শিল্পীদের রচনা অনলাইনে প্রকাশ করবেন , যাতে দ্রুত এবং সর্বসাধারণের মধ্যে তাঁদের আলো ছড়িয়ে পড়তে পারে ।এই রকম একটা মাধ্যমের অভাব ছিল বলেই আমাদের মনে হয় ।এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের রচনা আমন্ত্রণ করে প্রকাশ করার প্রয়াস করবে কবিতা আশ্রম চারুশিল্প বিভাগ।এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার উদ্দেশ্যে ১ লা জুন ২০১৯ থেকে অনলাইনে চারুশিল্প বিভাগের সূচনা করে । সকলের পরামর্শ এবং সহযোগিতায় কবিতা আশ্রম চারুশিল্প বিভাগ একদিন নবীন এবং প্রবীণ শিল্পীদের আলোক বিচ্ছুরণের মাধ্যম হয়ে উঠবে এই আশা করি ।