সাপ্তাহিক কবিতা আশ্রম, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
সাপ্তাহিক
২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
Painting: Francis Newton Souza
গৌতম গুহ রায়
অসুখ
যে অসুখ আমাকে দীর্ঘদিন ঘুমোতে দেয় না
তার জ্বরে পায়ের পাতায় গরম নিঃশ্বাস
চোখের তারায় তীব্র রোদ।
আমার ক্ষয়ে যাওয়া নখ ও জীর্ণ ত্বক
অস্থির ভাঙনের হল্লায় অন্ধকার ঘন হয়।
এই অসুখ আমাকে দীর্ঘদিন ঘুমোতে দেয় না,
সন্ধ্যা নামলে দাউদাউ জ্বলে শুধু খড়কুটো,
দলা-দলা পালকের ছাই।
নুন-জল দিয়ে ধুয়ে নিতে চাই পোড়া ঠোঁট
চোখের অন্ধকারে জলের দাগ মুছে যায়
পড়ে থাকে ঝরে যাওয়া কোষ,
চুপচাপ, বাক্যহীন কাঁদে ।
সঞ্জয় গুহ ঠাকুরতা
নিত্যতা সূত্র
স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি এখানে কোনও আষাঢ় নেই,
নেই কোনও আচমকা মেঘ বা
মিথ্যা মেঘের প্রতিশ্রুতি।
একটা ললিত রাগ সোনা রোদ গায়ে মেখে
কুসুম গাছে চড়ে দোল খাচ্ছে।
সদ্য যুবতী একটা শাল গাছ
নিজেকে উজাড় করে রোদে মিশে যাচ্ছে,
ঠিক যেভাবে তোমার চুল ছুঁয়ে,
একটা পবিত্র গন্ধ প্রেম হবে বলে সময় পাড়ি দেয়।
মোরাম পথে এখন মিছিল হয়,
বোমা জেগে ওঠে, শালবনে বিলম্বিত দুঃখ
ঘুরে বেড়ায়, কেউ বোঝে না।
নিস্তব্ধ একা দাঁড়িয়ে নীতির নিত্যতা খোঁজে।
শুদ্ধতা কি একটি মিথ্যার আশ্রয়?
নাকি আচম্বিত কোনও ব্যথার প্রশ্রয়।
যেখানে আচম্বিত লেগে থাকে চোখে,
যেখনে তুমি ঘুরে ফিরে আনন্দ শ্রাবণ।
রানা নাগ
ভূমিপুত্র
ভূমিপুত্র শূন্য করে কী করবে তুমি?
কী করবে তোমার পাশের মানুষেরা
এই পোড়া মাটি দিয়ে?
স্বপ্নে স্বপ্নে ফিরে আসবে চিৎকার আর কান্না,
ভীত, ঘর্মাক্ত দেহে জেগে মাঝরাতে প্রতিদিন
কী শান্তি আনবে তুমি সেই পোড়ামাটি খেয়ে?
তিস্তা, মেঘনা আর নাফের লাল জল
অশ্রু হয়ে বইবে তোমার চোখে,
বিছানায় থাকবে হাড় ভাঙ্গার মটমট শব্দ।
সিন্দুকের আর কতটুকুই ভরবে তুমি
ঐ মৃত ভিটা নিয়ে,
কী শান্তি আনবে তুমি সেই পোড়া মাটি দিয়ে?
মাধবী দাস
বাউলের আখড়া
প্রতিদিন ভাতের হাঁড়িতে
টগবগ করে উথলে ওঠে
গার্হস্থ্যের দুঃখ
লিঙ্গাকার চাল ফুটে যোনি রূপ ধরে
গরম ফ্যানের সাথে নিত্য নৈমিত্তিক কিছু ভাপ
বের হয়ে গেলে
উষ্ণ ফ্যান-জল থেকে আবেগের বেশে
সহজ আর্দ্রতা এসে আমাকে ভিজিয়ে দিয়ে যায়…
এভাবেই বুকে ঢেউ নিয়ে
বারবার প্রতিচ্ছবির মুখোমুখি হই
এ সংসার বাউলের আখড়া হয়ে ওঠে ।
Painting: Francis Newton Souza
অনিকেশ দাশগুপ্ত
দেওয়াল
ঘুম ঘুম পায়ে হেঁটে চলি শহরময় আলোর দিকে
আঁকাবাঁকা মৃত্যু-নিশানের নিরবিচ্ছিন্ন ধৈর্য্য-পাঠে,
জলে আধডোবা ঠোঁট টেনে হিঁচড়ে তুলে
নেবে ফলন্ত আহ্লাদ
গায়ের এমন স্নেহগন্ধ, ভুলে চলি,
ওপর থেকে উষ্ণ সরবরাহ মেপে নিই
ভালবাসার, কামনার, অযাচিত স্নেহের;
একটা ফসল-পাকা-মাঠ চিরে
যে রাস্তা সভ্যতা অতিক্রম করে
গাছের গোড়ায় যে মাটি আঁকড়ে ধরতে পারে না
জড়বৎ কোনওকিছুই
মৃত স্রোতের মতো স্থির হয়ে আসে
সেখানে নতুন চাঁদের দাগ
জন্মান্ধের চর্মচক্ষু ফোটে ক্ষয়িষ্ণু দেওয়ালে
Painting: Francis Newton Souza
“হৃদয়ের গান শিখে তো...”
ফাল্গুনী ভট্টাচার্য
-ফাল্গুনী ফাল্গুনী!!
বৈঠকখানা থেকে অনেকক্ষণ ডেকে যাচ্ছেন দাদু।
‘যাই’- তুমি জোরে চিৎকার করে বলো।
‘রোদে দেওয়া ব্যাটারিগুলো নিয়ে বক্সে ভরে দাও ভাই…’
মারফি রেডিওর ব্যাটারির বাক্স বাইরে, ছ’টা ব্যাটারি লাগে। মাঝে মাঝে রোদে দিয়ে চনমনে করে নেওয়া। দাদু ‘বিবিধভারতী’ ধরান। এখন ‘বোরোলিনের সংসার’ হবে। মিষ্টি গলায় শ্রাবন্তী দিদি বলছেন-‘এবার শুনবেন কে এল সায়গলের এই গানটি। বেজে ওঠে “স্বপন দেখি গড়ব বাড়ি আমি প্রবাল দ্বীপে”
‘-দাদু প্রবাল দ্বীপে বাড়ি গড়ে কারা?’ তুমি প্রশ্ন করো।
দাদু হাসতে হাসতে বলেন- ‘যারা গান লেখে, সুর করে আর গান গায়- তারাই কেবল প্রবাল দ্বীপে বাড়ি গড়তে পারে। তুমি বড়ো হয়ে একটা দালান বাড়িই করবে ভাই।’ তখন আবার রেডিওতে গান শুরু হয়েছে, পান্নালালের গলায় উচ্চারিত হচ্ছে-“আমার মাটির ঘরে বাঁশের খুঁটি মা পাই যেন তা-য় খড় যোগাতে”। গানে গানে কেটে যায় এই সব দিন। ঘুম আসার আগে, ঘুম ভাঙার পর।
ফাল্গুনী, এই জীবনে কত গানই তো কানের ভিতরে ঢুকল, কিন্তু মরমে প্রবেশ করল ক’টি? সারাদিন অর্ধনিমীলিত চক্ষে বসে বসে পদাবলী কীর্তন বা রবীন্দ্রনাথের গান শুনতে তোমার কখনই ভালো লাগে না। তোমার ছাত্রজীবনে দেখেছ, কিছু শান্তিনিকেতনী বন্ধু-বান্ধবী দাঁত চিবিয়ে আর ঠোঁট দু’টোকে এক আফ্রিকান ম্যাপের আকার দিয়ে পিছল পিছল উচ্চারণে রবীন্দ্রনাথের গান গাইত যে, দেখে ও শুনে তোমার ভক্তি যেত ছুটে। এক বান্ধবীতো কথাও বলতো অমনি ভাবে, জিভ তার সব
সময় দাঁতে ঠেকত আর সবই হতো দন্ত্য বা দন্ত্যমূলীয়। কিংবা বলা যায় দন্তিল। সোজা কথা, মুখ পুরো খুলে খোলা উদাত্ত উচ্চারণে গান না হলে শুনে বেশ তৃপ্তি হয় না তোমার। তোমার গান শোনা অনেকটা মুড বা পরিবেশনির্ভর। কোনও দিনই গানের ব্যাপারে কোনও শুচিবায়ুগ্রস্ততা নেই। সকালবেলায় রজনীকান্তের “আমি অকৃতি অধম বলেও তবু তো কম করে কিছু দাও নি” শোনার পরই মেহেদি হাসানের ‘রাফতা রাফতা বো মেরি হস্তি কা শাম্মা হো গয়ি’ শুনতে পারো। একটু পর অনুপ জলোটার “ঝিনি রে ঝিনি” শুনে নিয়ে নুসরত ফতেহ আলি খানের গাওয়া “তুমে দিল্লগী ভুল যানি পড়েগি/মোহব্বত কে রাহ মে আ কর তো দেখো” শোনো। যশরাজজী বা ভীমসেন যোশীজীর একটি বন্দিশ শোনার পর অক্লেশে শুনতে পারো আপেল মাহমুদের “লিখেছ আর না আসিতে রজনী কেটে গেল ভাবিতে ভাবিতে”। মন খারাপ করা বিকেলে ‘সন্ধ্যা হল ঘরে চলো’ রবিঠাকুরের এই গানের পর মুকেশজীর ‘কোই দূর যব দিন ঢল যায়ে/ সাঁঝ কি দুলহন বদন চুরায়ে, চুপকে সে আয়ে” শুনতে তোমার মন্দ লাগে না পারি। এই তো কাল সকালবেলা ‘মাধব বহুত মিনতি করি তোয়’ শুনছিলে, আর তার রেশ থাকতে থাকতেই শুনে নিলে ভীমপলশ্রীর রাগের উপর কিশোর কুমারের গাওয়া “খিলতে হ্যায় গুল ইঁহা”। কিন্তু জীবনের ঘাত-প্রতিঘাতে ভরা তোমার জীবনে মাঝে মাঝে কাটে না কি তাল, সু্র, লয়? কোনও কোনও সকাল আবার কেমন মায়াঘন হয়ে ওঠে! সকাল থেকেই মেঘ, ঝোড়ো হাওয়া দিচ্ছে। বাড়ির পিছনের পেঁপে গাছে একটা বুলবুলি আধপাকা পেঁপেটার গায়ে ঠোঁট দিয়ে টোকা মারছে। দুটো কাক, মনে হয় স্বামী-স্ত্রী, আমগাছের ডালে উড়ে উড়ে কাঠি আর দড়ি জুড়ে জুড়ে বাসা বানাচ্ছে। অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ্য করছ। আর একটা ভ্রমর ভোঁওওও করে ঘুরপাক খাচ্ছে ভেন্টিলেটরের নিচে। হঠাৎ চোখ পড়ে যায় নিচের টবে সেই প্রায় মরে যাওয়া পাথরকুচি গাছটায়, একগোছা লাল ফুলে ভরে উঠেছে। বুকের ভিতরটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠছে , আহা এমন ফুল,- এমন ফুল কোথায় যেন কবেকার একটি মাটির বাড়ির উঠোন আলো করে ফুটেছিল? কোথায় যেন বেজে উঠেছিল এই রকমই ভাবেই ‘হীরকজয়ন্তী’ সিনেমার গান-‘যেখানেই থাকি সেখানেই ভালো থাকবো, আমরা তো আর ছোট নেই আর ছোট নেই।’ তুমি কি আর তখন তুমি আছো গো? সোঁ করে টাইম মেশিনে চলে গেছো ১৯৮০ তে, আহা ক্লাস সিক্স! লাল ধুলোর পথ দিয়ে- ক্যানেলের জলে পা ধুয়ে, ব্রহ্মদত্যিতলা পেরিয়ে – আলবাঁধার ঘোষপাড়া, বাণীদিদিমণিদের পাঁচিলের গায়ে বড় কামরাঙা গাছটির ছায়া গায়ে একটু মেখে, বাবাজীর আখড়ার ধারে লাগানো মেহেদি গাছের পাতা একটু ছিঁড়ে নিয়ে, কিংবা মনোরঞ্জনদের খামারে পড়ে থাকা সুপুষ্ট ‘নগুরে কুল’ মানে নারকেল কুল কুড়িয়ে ঝোলাতে ভরে নিয়ে, বেসিক স্কুল-মোড়লদের দুর্গাবাড়ি ছুঁয়ে, রাখহরি মাস্টারের বাড়িটিকে বাঁদিকে রেখে, পুকুরের ঢালু পাড় দিয়ে হুস করে নেমেই এসে পড়েছ বড় স্কুলে। মানে হাইস্কুলে। আশির দশকের শুরু। অনেকগুলি ভাইবোন। কষ্টেসৃষ্টে মানুষ হচ্ছ। সারাদিন বৃষ্টি, চালেডালে ঘেঁটে খাওয়া, সন্ধ্যেবেলা চালভাজা আচারের তেল দিয়ে মেখে দু’মুঠ করে খাচ্ছ। মাছ বা অন্যকিছু নেই তাই মা সান্ত্বনা দিচ্ছেন-‘ আজ গরম গরম ভাত আর ঝিঙের ঝোল’। রেডিওতে হঠাৎ বেজে ওঠে ‘পিতুরাধিকা মাতা… মা মা গো মা/ আমি এলাম তোমার কোলে”। বর্ষাকালের সন্ধেবেলায় তোমার বাবা ‘মারফি’ রেডিওতে এরিয়ালের তার জুড়ে কষ্টেসৃষ্টে বাংলাদেশ রেডিও ধরিয়েছেন। সৈনিক ভাইদের জন্য গানের অনুষ্ঠান ‘দুর্বার’ হচ্ছে। মাঝে মাঝে সেন্টার চলে যাচ্ছে, কড়কড় আওয়াজ হচ্ছে, তার মধ্যেই বেজে উঠছে আব্দুর রউফের গান- “কখন ছুটি হবে কখন বাজবে সেই ঘণ্টা/ ছোট্টবেলায় পাঠশালার ওই শাসন ভেঙে আনচান করত যে মনটা”। সকালের থেকে বিকেলের দিকে গান শোনাটাও একটু অন্য রকম। বিশেষ করে মন খারাপ করা বিকেলগুলোয়। হয়তো গ্রামে গেছ, সারাদিন হৈ হৈ করে কাটিয়ে বিকেলে টোটো করে সপরিবারে বা একলা ফিরে আসছ শহরে। একটু আগেই বিকেলের আলো মরে এসেছে। কোপাই-এর দিকে মানে পশ্চিমের আকাশে বড় হয়ে সুর্যটা এবারে হেলে পড়ছে, একটু পড়েই আঁধার নেমে আসবে। ঢিমে তালে টোটো চলছে আর তখনই মন্ত্রমুগ্ধের মতো মোবাইলে সার্চ করতেই লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া ‘আজ তবে এইটুকু থাক বাকি কথা পরে হবে’ বেজে ওঠে। ও গানের দ্বিতীয় লাইনটি তোমাকে আরও মুগ্ধ করে রাখে- “ধূসর ধূলির পথ/ ভেঙে পড়ে আছে রথ/ বহুদূর দূর যেতে হবে”। তোমার মন খারাপ হয়ে যায় ফাল্গুনী। জীবনে অনেক ব্যর্থতা, পাঁজরে মোচড় দিয়ে ওঠে না? কিংবা হয়তো গ্রামেই আছো, হয়তো গ্রামের শেষ সীমায় মজুমদারের পুকুরের শেষে উঁচু টিলায় দাঁড়িয়ে দেখছ সূর্য ডুবে যাচ্ছে, আলবাঁধা বা দমদমা গ্রামের থেকে একদল কাক কা-কা করতে করতে তোমাদের গাঁয়ের দিকে আসছে। হয়তো বাসায় ফিরে আসছে। আর সেই সময় তোমার শুনতে ইচ্ছে হয় মৃণাল চক্রবর্তীর ‘কেন জানি না আজও তোমার কথাই মনে পড়ে’ অথবা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের ‘মুছে যাওয়া দিনগুলি আমায় যে পিছু ডাকে’ ।
সারাদিন চিন্তায় চিন্তায় কাটছে। এবার স্কুলের মাইনে দিতে হবে। মাধ্যমিকের ফর্ম ফিল-আপের জন্য বেশ কিছু টাকা লাগবে। মায়ের শেষ সম্বল কানের গয়নাটা এবার বিক্রি করে দিয়ে তোমার বাবা হালের বলদের জোড়াটা কিনে এনেছে। স্কুল অনেকটা দূরে বলে ছোট ভাই রোজ একটা সাইকেলের বায়না করে। বেশ ক’বছর কিনব কিনব করেও বাবা কিনতে পারছেন না। দিদি ভাল রেজাল্ট করা সত্ত্বেও তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে গেল। তোমাদের রতনপুরের ব্যান্ডপার্টির দল সানাই আর স্যাক্সোফোনে একটা গান বারবার বাজাচ্ছে-“মধুমালতী ডাকে আয় ফুল ফাগুনের এ খেলায়”। কোপাই-এর জিতেনকাকুর পালকি ভাড়া করা হয়েছে। ফাল্গুনের এক বিকেলের মুদে আসা আলোয় তোমার দিদি আর জামাইবাবুকে পালকিতে চাপিয়ে বেহারার দল কোপাই স্টেশনে ট্রেনে তুলে দিতে চলে্কিতে। তখন গোধুলির আলোর সঙ্গে মিশে গেছে একটি বিষণ্ণতা। মাইকে বেজে উঠছে মহম্মদ রফির ‘তোমাদের আশীর্বাদের এই শতদল মাথায় রাখি’। মনখারাপ নিয়ে সন্ধেবেলা পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে আছো। পুব কোণে একফালি চাঁদ দেখা দিয়েছে। পুকুরের বদ্ধ জল থেকে একটা বুকচাপা দমবন্ধ মনখারাপের ভ্যাপসানি উঠছে। দূরে চক্রবর্তীদের রেডিওয় বাজছে প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান-“বাঁশ বাগানের মাথার ওপর চাঁদ উঠেছে ওই/ মাগো আমার শোলোক বলা কাজলা দিদি কই?”
Painting: Francis Newton Souza
গত নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত সন্মাত্রানন্দের অসামান্য উপন্যাস 'মেঘবতী'-র বারোটি অধ্যায় পড়ুন
পূর্ববর্তী সংখ্যা
এখন বাড়িতে বসেই সংগ্রহ করতে পারবেন আমাদের প্রকাশিত বইগুলি। ভিজিট করুন আমাদের অনলাইন সপ, আর কিনুন আমাদের বই। নিচের BUY NOW বোতামে ক্লিক/ট্যাপ করলে পৌঁছে যাবেন আমাদের সপ পেজে।