সাপ্তাহিক কবিতা আশ্রম, ৩ মাঘ ১৪২৭
সাপ্তাহিক
৩ মাঘ ১৪২৭
Painting:Antoni Tapies
গৌতম রায়
যোগমায়া সরোবর
তুমি জল ছুঁতে চাও
জলও কী তোমাকে না ছুঁয়ে পারে?
এই দুই ছোঁয়াছুঁয়ি দিল থেকে এলে
তাকে জলাশয় কয়
তুমি নৌকো ভাসাও
দাঁড় এগিয়ে নিয়ে যায় প্রেম
সেই প্রেমে শাপলা শালুক ফুটলে
যোগমায়া সরোবর হয়।
শৌভিক পাল
কাল্পনিক
মানুষকে দূরে রেখে
মাঝখানে বইয়ে দিই
রহস্যময় নদীর করুণা।
কেউ কারোর মুখ দেখি না
দিনলিপির স্পষ্ট রেখা থেকে
উঠে এসে ক্রমশ নদীর পারে বসি
দেখি
সূর্য-ডোবার রঙে শিশুর মতো দুলছে করমচা
শুনি
সারা উঠোন জুড়ে জোনাকি জ্বলার প্রস্তুতি,
মাঝখানে অবগুণ্ঠনবতী দীপশিখা।
নদীকে সহজেই পরিণত করা যায়
অপস্রিয়মান দিগন্তরেখায়।
সচলতা শেষে কোনও নির্দিষ্ট স্টেশনে
খাবারের ঠোঙায় মুখ গুঁজে
আয়ুষ্মান বার্তালাপ—
এ-ও কি ঘটেনি কখনও?
শিথিল নিশ্চয়ের অন্তর্বর্তী ক্ষয়ে
নিশ্চিহ্ন হতে হতে বাঁচিয়ে দিয়েছে
পরিযায়ী পাখির চোখে সোনালি জল।
কল্লোলশ্রী মজুমদার
জীবনযাপন
জলের অপর নাম জীবন।
জীবন তাই জলের মতো সহজ।
বয়ে যাওয়া জলের মতো প্রবহমান।
কাজেই জীবনকে নদীর মতো বলা যেতে পারে।
তাই জীবনের সঙ্গে ঝরনার আন্তঃসম্পর্ক
গড়ে ওঠে কখনও কখনও। আরও ছোট করে ভাবলে,
জীবন ঝাঁঝরির জল খুলে স্নান করার মতো।
আমি সেই জলে স্নান সেরে নিচ্ছি।
জীবন গতিময়তার এক নাম।
কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে ছুটে যাওয়াই এর ধর্ম।
জীবন আর ঘোড়দৌড় তাই সমার্থক।
বাস ধরার জন্য আমি ছুটছি
ক-বাবুর বগলের তলা দিয়ে,
খ-বাবুর কনুইয়ের গুঁতো খেতে খেতে।
জীবন চলারই আর এক নাম।
হাজার বছর ধরে আমি তাই পথ হাঁটছি।
বাস পাইনি বলে হাঁটতে হাঁটতে…
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক।
কোথাও পৌঁছনো হল না এখনও আমার
না নবান্নে, না মালয় সাগরে
নূরুজ্জামান হালিম
গোলযোগ
প্রাণীরা কী অদ্ভুত দলবদ্ধ!
তাদের নেই ভবিতব্য মৃত্যুর ভয়।
উম্মাদ পাগল কী নিশ্চিন্ত অনাচারী!
নেই তার পরকালের স্বর্গের লোভ।
ঈশ্বর কী অদ্ভুত নির্বিকার!
অনাহুত মৃত্যুর দায় যদিও তার।
মহাকাল কী অসীম বিস্তৃত!
তবু্ও ঠাঁই নেই ক্ষুদ্র পীপিলিকার।
আমারও কী অদ্ভুত জীবন!
অকারণে খুন করি সহস্র দর্শন।
নাদিরা আহমেদ
শীতঘুমে-মৃত্যু
বুকে ধীরে ধীরে মরুভূমি গজিয়ে উঠছে,
নাভি পেট জুড়ে দীর্ঘ বালুচর ঘুরে বেড়ায়।
এখন সমস্ত মরুদ্যান ও মরীচিকা
মৃত্যুবরণ করেছে
আমি ক্যাকটাস বুনতে বুনতে
চিবুকে কাঁটা ভরে নিয়েছি।
সমুদ্র বা পাহাড় ভরা দেশে বালিয়াড়ির
কোনও স্বাদ নেই
রাতের জোছনা বা চাঁদের
ফাঁকে জীবন খুঁজতে যাই;
বিতৃষ্ণায় জুড়ে উঠছে বিকেল- হৃৎপিণ্ড
বা পায়ের তলা।
আমি পৃথিবীর মতো হতে চাইতে চাইতে
কবে যে মৃতদানা ছুঁয়েছি
জানা নেই, শীত বা বসন্ত কাল
কেন আসে সবশেষে
পাতাঝরা দিনের মতো আমিও
ঝরে যেতে চাই চিরকাল…
আকাশ বা নীলরঙে
কতটা মিশেছি জানি না
আপাতত মাটিদের দেহে ধূলোর মতো
মরে যেতে দাও….
Painting:Antoni Tapies
“হৃদয়ের গান শিখে তো...”
পর্ব-৭
ফাল্গুনী ভট্টাচার্য
টিফিনের ঘণ্টা পড়ার পর ছেলেমেয়েরা ক্লাস থেকে বেরিয়ে মাঠে ঘাটে ঘোরে। তেঁতুলতলায় বসে গুড়মুড়ি খায়। কেউ শানের বারান্দায় লাট্টু ঘোরায়। একদল তো লাল নীল হলুদ মার্বেল নিয়ে গাই-বাছুর খেলে। ছেলেদের নীল প্যান্ট সাদা জামা, আর মেয়েদের নীল সাদা ফ্রক। নাইন থেকে নীলপাড় সাদা মেঝে শাড়ি নীল ব্লাউজ। এখন গলার স্বর একটু ভেঙেছে। নাকের নিচে নীলচে গোঁফের রেখা- তোমার আর তোমার বন্ধু মুকুল কানন হৃদয় সুজিত মনোরঞ্জন হারাধন সবার। হাফপ্যান্ট আর পরা যায় না। পায়ের লোম দেখা যায়, লজ্জা করে। এবার ফুলপ্যান্ট চাই। কবে যে হবে। নাইন-টেন-এর দু’চারজন ফুকফাক বিড়ি টানে। ক্যানেলের গাবায় বা পুকুরপাড়ে গাছের আড়ালে। তারপর পেয়ারা বা জামপাতা, কখনো ধনেমৌরী চিবিয়ে মুখের গন্ধ লুকোবার চেষ্টা করে। দু-একবার তো বিবেকস্যারের সামনাসামনি পড়ে মার খেয়েছে কেউ কেউ। কানন বলে, ‘লে ভটাচাজ দু’টান।’ তুমি কৌশলে এড়িয়ে যাও, কিন্তু বেশিদিন পারো না। নিতে হয়। বন্ধুত্বের মুখেখড়ি হয়ে গেল।পাকাকুমড়ো রঙের রোদ ছড়িয়ে পড়েছে ইস্কুলের মাঠে। রোদে বসে মেয়েগুলো ভিজে চুল শুকিয়ে নিচ্ছে। চুলের উপর একটা ফাঁস দিয়ে রেখেছে। মা বলে এই ফাঁস দিয়ে রাখলে নজর লাগে না, ভূতে ধরে না। ঝরনা সরমা মায়া চন্দ্রকলা বাসন্তী অসীমা অরুন্ধতীরা বসে আছে। চন্দ্রকলা দেবানন্দপুর থেকে হেঁটে ইস্কুলে আসে। লম্বা ছিপছিপে। গায়ের রং মাজা। মাথায় অনেক চুল।
নাকে একটা ছোট্ট নোলক। সেখানে ডালিম দানার মতো পাথর লাগানো। কথা বললে ওই পাথর ঝলকে ঝলকে দোলে। চন্দ্রকলা কাগজে মুড়ে আজ আচার এনে খাচ্ছে।
তোমাকে ডেকে বলল, ‘এই ফাল্গুনী একটু লিবি? কুলের আচার।’
তুমি লজ্জা লজ্জা ভাব করে হাত পাতলে। কুলের আচার বেশ খেতে। গুড়ে সেদ্ধ করে ভাজা মশলা লঙ্কাগুঁড়ি দেওয়া টক মিষ্টি ঝাল ঝাল। গলায় লাগে। মুদি দোকানে দশ নয়ায় এই রকম ঝাল মিষ্টি কালো লজেন্স পাওয়া যায়। আর সিগারেটের মতো টান দিয়ে খাওয়ার লজেন্সও হয়। স্রু স্রু করে
টানলে গলায় ধক করে লাগে ঝাল ঝাল। চারটের দাম পঁচিশ পয়সা। ফাল্গুনের প্রথমেই মদন কাকা আইসক্রিমের বাক্স নিয়ে হাজির হয়। মাঠের পশ্চিমে পাকুড় গাছের ছায়ায় সাইকেলের পিছনে বাক্স
নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। তার ব্যবসা চলে পুরো গরমকালটা। গরমের ছুটির পরেও স্কুল খুললে কিছু দিন। জলবালা পাঁচ আর দুধবালা দশ পয়সা। কখনো হাতে দু’চার পয়সা এলে তুমিও গিয়ে একটা খাও। সুরুপ সুরুপ। পেট ভরে না বলে তুমি মটর বা ছোলাভাজাই পছন্দ কর। দশ নয়ায় অনেকটা দেয়।
চন্দ্রকলা বললে, ‘ফাল্গুনী তোর কত বুদ্ধি। বাংলায় ইংরেজি জীবন বিজ্ঞানে ভূগোলে সব নব্বই পঁচানব্বই করে পাস।’
তুমি বললে, ‘কিন্তু অঙ্কে আমার ভয়। কিছুতেই ভয় কাটে না। অঙ্কের স্যারকেও খুব ভয়। মুকুল অঙ্কে এত এত নম্বর পায়! একশোতে একশো।’
মুকুল বললে, ‘হস্টেলে মাঝে মাঝে আসবি একসাথে বসে অঙ্ক করব।’ তুমি মাথা নাড়লে।
চন্দ্রকলার চুল পিঠ ছাড়িয়ে কোমর পেরিয়ে পাছার কাছে এসে থমকে আছে। কালো কুচকুচে চুল। তোমাদের মা-কালীর মতো। মাঝে মাঝে সাদা বা বেগনে রঙের ফিতে দিয়ে টান করে বেঁধে ইস্কুলে আসে। দু’চার দিন কানের পাশের ছোট চুলগুলো থেকে তেল গড়ায়। চাষিবাসী ঘরের মেয়ে, খুব একটা যত্ন নিতে পারে না। ঝরনা কিন্তু সচ্ছল ঘরের মেয়ে। দামী সাবান মাখে। একটু কাছ দিয়ে পেরিয়ে গেলে জেসমিন তেলের গন্ধ পাও তুমি। তবু ঝরণার চুল চন্দ্রকলার মতো এত ঘন নয়। যার হয় তার সরষের তেলেই হয়। চন্দ্রকলার দেওয়া আচার খেয়েছ তুমি। তোমারও তো কিছু দেওয়া উচিত। অনেক ভেবেচিন্তে তুমিও একদিন নিয়ে গেলে অনেকগুলো কাঁচা আম। কালীসায়ের পাড়ে অনেক জাতের আমগাছ। ফজলি, লিচুর মতো দেখতে বলে লিচু আম, বেলের গন্ধঅলা আম। কত নাম তাদের, পান্তুয়া আম, পেঁপে আম, তিলে আম, আর কাঁচা-মিঠে আম। এইসব তোমরা একসঙ্গে বসে বসে খেলে। ফুটো ঝিনুক দিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিলে। ঝরনা কাগজে মুড়ে এনেছে নুনলঙ্কা গুঁড়ো। কিছুটা খেলেই দাঁত টকে আসে, কিন্তু ছাড়াও যায় না। আমের কষি চিবিয়ে নিলে দাঁতের টোকোভাবটা চলে যায়।
গরম পড়েছে বেশ। ক’দিন সকালে ইস্কুল হচ্ছে। শিরিষ ফুলের গন্ধে ম ম করছে কালীতলা। বেল গাছের পাতা ঝরে গেছে। নিত্যপুজোয় শুকনো বেলপাতাই দাও। আর ক’দিন পরেই কচি কচি বেল পাতা গজাবে। হেসে উঠবে বেলফুলের কুঁড়ি। ভাইবোনেদের সঙ্গে তুমিও যাও সকাল বেলা। শ্রীনিধিপুর সাপনানা বারোকাহিনা থেকে লাইন করে ছেলেমেয়েরা হেঁটে আসছে। এই গরমের সকালবেলা গমের ছাতু আর আখের গুড় দিয়ে মুড়ি খেয়ে সব ইস্কুলে আসে। ছাঁকা খোলায় গম ভেজে সাপনানায় পালেদের হাস্কিং মেশিনে পিষিয়ে আনো। সাইকেল পেয়ে গেলে হ্যান্ডেলের একদিকে কাঁচা গম অন্যদিকে ভাজা গম নিয়ে পিষিয়ে আনো। এইভাবে গরমের ছুটি পড়ে যায়। গরমের ছুটিও শেষ হয়। গরম কমে না । লু বয়। ধুলোর ঝড় ওঠে মাঝে মাঝে। বড় কষ্ট এই গরমে। পুকুরগুলোর জল কমতে কমতে তলানিতে ঠেকে। গাবায় গরু মোষ ছাগল চরে। চাপ হয়ে বসে থাকে গিমেশাকের গালিচা। পলিকাদায় আবার মাথা তোলে পদ্মগাছের চারা। তারপর বর্ষার জল ভরে ওঠে কানায় কানায়। মাঠে ঘাটে খলবল করে ওঠে নানা জাতের মীণসন্তান। লকলক করে বেড়ে ওঠে আখগাছ। সিম পুঁই কুমড়োলতা গোয়ালের চালে উঠে রোদ মাখে। পেঁপের চারা প্রাচীর পেরিয়ে উঁকি মারে আকাশে। বর্ষার ছুটিও শেষ হয়। গ্রামের মধ্যে কাদা শুকোয় না। গরু বাছুরের
খুরিয়া হয়। ভিজে ঘাসপাতা খেয়ে ছ্যাড়ানি ল্যাদানি হয়। কোনোদিন ছোট্ট থলেতে রেশনে তুলে আনো চিনি আর কেরোসিন। লাইব্রেরি খোলা পেলে বই তুলে নাও। ‘অরুণ বরুণ কিরণমালা’ পড়া হয়ে গেছে। এবার নিয়েছ ‘বিশ্বাসঘাতক’ আর ‘মহাকালের মন্দির’। সাপনানা গ্রামের বাইরে আমগাছের তলায় বড়ডাঙা আর কুশোডাঙার আদিবাসীপাড়ার লোকজন বসে আছে। এইদিকের রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু জিরিয়ে নিচ্ছে। কেউ ফুঁকছে বিড়ি। মেয়েরা গান ধরেছে-
“সিরমা রে সিং চান্দুই রাকাপ
এনা ডিগডিগ
এনহ আদিবাসী যৌপীৎ আকা।
যুগ রেনা যুগ বদল মানওয়ারে আ
পিড়াপিড়ি শিখিৎ দেয় কান…”
পেটাই করা চেহারার একটি জোয়ান ছেলে আড়বাঁশি বাজাচ্ছে। ওর নাম শিবলাল টুডু। টেন-এ পড়ে। খুব ভালো খেলে। সেন্টার
ফরোয়ার্ড। কাজে এসেছে বলে ইস্কুল যাচ্ছে না ক’দিন।
-‘কি রে ফাল্গুনী!’
-‘বলো’
-‘কুথা গিয়েছিলিস?’
-‘গম পেষাতে।’
-‘শুন শুন এবার বড় ডাঙ্গার মাঠে ফুটবল ম্যাচ। তুরা নাম দে। ফার্স্ট প্রাইজ বড় খাঁসি আর শীল্ড।’
-‘দেখি’।
ফেরার পথে শ্রীনিধিপুরের বন্ধুদের কথাটা বললে। তারা তো খুশিতে নেচে উঠলো। এরপর বেশ ক’দিন চলল ফুটবলের প্র্যাকটিস। শ্রীনিধিপুরের আমবাগানে ভেজামাটির উপর, নরম ঘাসের উপর বল লাথি খায়। ভিজে গিয়ে ধিপধিপ আওয়াজ হয়। তোমার পায়ের বুড়ো আঙুলে খুব লাগে। নখটা আদ্দেক উঠে যায়।রক্ত পড়ে। যন্ত্রণা করে। আমগাছের গা-ফেটে বের হওয়া আঁঠা চেপে ধরে সুনীল বলে, ‘একুনি বন্দো হঁয়ে যাবে রে।’ হার মেনে গেলে হবে ফাল্গুনী! ওঠো, ছোটো। ছোটা আর চলার নাম জীবন। পেটে খিদে চাগিয়ে উঠবে। মনের মধ্যে জানার খিদেটাও বাড়বে। জানতে হবে না? ব্যাকভলি দিয়ে ঠিক গোলবক্সে তাক করতে হবে। সন্ধে নামছে রতনপুরের আকাশে। কলাপুকুরের ধার দিয়ে ফিরছ। আজ আবার নবনীকাকা সানাই নিয়ে বসেছে। সামনে বসে আছে রামকানাইকাকু। বানাইদাদার বাবা। যাত্রাদলে মিহি সুরে মোহিনী স্কেলের হারমোনিয়াম বাজায়। আজ রামকানাই কাকু গান ধরেছে-
“কি মোহিনী জানো বন্ধু কি মোহিনী জানো
অবলার প্রাণ নিতে নাহি তোমা হেন…”
রাতে আঙুলের ব্যথাটা বাড়লে মায়ের কথামতো ভেজা কাপড় জড়িয়ে রাখো। টিস টিস দপদপ করছে। পায়ের পেশিগুলোও টেনে ধরে। তুমি মা মা বলো, মা-কালীকে ডাকো মা দুর্গাকে ডাকো। মা পশ্চিমবাহিনীকে ডাকো। মা কঙ্কালীকে ডাকো।
মা কালীর চুলের কথা মনে পড়তেই আর একটি মুখ ভেসে ওঠে। পিঠ ছাড়িয়ে কোমর পেরিয়ে যাওয়া, কালো একবোঝা চুল যার। সে যে চন্দ্রকলা।
Painting:Antoni Tapies
গত নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত সন্মাত্রানন্দের অসামান্য উপন্যাস 'মেঘবতী'-র বারোটি অধ্যায় পড়ুন
পূর্ববর্তী সংখ্যা
পড়তে পারেন:
এখন বাড়িতে বসেই সংগ্রহ করতে পারবেন আমাদের প্রকাশিত বইগুলি। ভিজিট করুন আমাদের অনলাইন সপ, আর কিনুন আমাদের বই। নিচের BUY NOW বোতামে ক্লিক/ট্যাপ করলে পৌঁছে যাবেন আমাদের সপ পেজে।