ওয়েব ভার্সান আসছে…

পুরনো ওয়েবসাইট থেকে পুনরুদ্ধার করা লেখা। ছবি ও কিছু অংশ শীঘ্রই যুক্ত হবে।

ওয়েব ভার্সান আসছে…

ডিসেম্বর ২০১৯ সংখ্যা প্রকাশিত

প্রিন্ট ভার্সান পড়ার জন্যে আজই কিনুন…

বর্তমান সংখ্যা

হেমন্ত ১৪২৬

সূচি

কথা

নতুন শক্তির কবিতা– বন্যা লোহার, শৌনক দত্ত, প্রাণেশ ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা,খুরশিদ আলম, প্রত্যয়ী দত্ত, আম্রপালী দে, ভাস্কর সুতার,কনক মণ্ডল

অগ্রজের চোখে– নতুন কবিতার আলো • জয়দেব বাউরী

এ মাসের জাতক– কবি বুদ্ধদেব বসু • তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়

কবি অরুণ মিত্র • অমিত সাহা

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় • মধুসূদন মিহির চক্রবর্তী।

অনুবাদ কবিতা– চার্লস সিমিক-এর কবিতা অনুবাদ: বঙ্কিম লেট

ধারাবাহিক উপন্যাস– মেঘবতী • সন্মাত্রানন্দ

গল্প– একটি কবিতার মৃত্যু ঘিরে • মণিশঙ্কর,লেজ • অমিত কুমার বিশ্বাস

বুনো ঝোপঝাড় -গাছবন্ধু

হেমন্ত ১৪২৬ থেকে অনলাইনে পড়ুন সন্মাত্রানন্দের ধারাবাহিক উপন্যাস, "মেঘবতী'

আগস্ট ২০১৯

একাদশ বর্ষ , তৃতীয় সংখ্যা

কথা

অন্ন বাক্য অন্ন প্রাণ অন্নই চেতনা;

অন্ন ধ্বনি অন্ন মন্ত্র অন্ন আরাধনা।

অন্ন চিন্তা অন্ন গান অন্নই কবিতা,

অন্ন অগ্নি বায়ু জল নক্ষত্র সবিতা ।।

অন্ন আলো অন্ন জ্যোতি সর্বধর্মসার

অন্ন আদি অন্ন অন্ত অন্নই ওংকার

সে অন্নে যে বিষ দেয় কিংবা তাকে কাড়ে

ধ্বংস করো, ধ্বংস করো, ধ্বংস করো  তারে।।

–কবি বীরেন্দ্র  চট্টোপাধ্যায়   

সূচিপত্র

গদ্য

ঘরের ছেলে অথচ বিপ্লবী* অলোকরঞ্জন  দাশগুপ্ত  

বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার * লুথার লুৎসে , অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত  

নগ্ন সত্যের উদ্ভাস * সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়

কবির ছোট কবিতা * সুজিত সরকার

আলো আর ভালো মানুষের সন্ধান * ফাল্গুনী ভট্টাচার্য

প্রেমিকের ক্রুদ্ধ মুখচ্ছদ * রজতকান্তি সিংহচৌধুরী

দুঃখী মানুষের  কাঁদনগীত * কুমারেশ তেওয়ারী

নির্বাচিত কবিতা  

সপ্তদশ অশ্বারোহী

(বীরেন্দ্র  চট্টোপাধ্যায়ের সতেরোটি কবিতা)

কবির আলোক চিত্র : অশোক  পাইন   

ডাউনলোড করুন এবং পড়ুন ।ডাউনলোড করার জন্যে কভার ছবি বা 'বর্তমান সংখ্যা'-য় ক্লিক করুন।

বিগত সংখ্যা,জুলাই ২০১৯

একাদশ বর্ষ , দ্বিতীয় সংখ্যা

কথা

এক পশলা বৃষ্টি শেষে , ঝিঁঝিঁদের ডাক যেন মহাপয়ার ! বিশ্বপ্রকৃতির টানে নেমে আসে কবিতাঘোর  । কবিতা তো কিছু না-পাওয়ার নেশা । একটা কবিতা শুরু থেকে শেষ যেন একটি জীবনকাল … মৃত্যু থেকে এসে মৃত্যুতে মিশে যায় । সবাই জানি এরকম । সবাই ভুলেও থাকি বেমালুম । না হলে যে ভয় ঘিরে ধরে ।  সত্যকে মোকাবিলা করার ভয় । আমরা বলি , ভয় থাকুক । ভয় জাগিয়ে রাখুক আমাদের । জীবন মিথ্যা বলেই শিল্প অধিক মিথ্যা হয়ে উঠতে চায় । এতদূর মিথ্যা যে তার চেয়ে সত্য যেন আর হয় না । দর্শন যখন এসব বলে , তখন বৃষ্টি নামে আবার … বীজ আকুল হয় … ভিজতে ভিজতে মানুষ হয়ে ওঠে অবোধ প্রাণী ।

জুলাই সংখ্যায় যারা লিখছেন

নভেরা হোসেন, কার্তিক ঢক, নাগসেন, উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়দেব বাউরী, তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়, মাসুদার রহমান, নিত্যানন্দ দত্ত, শাশ্বত কর,প্রশান্ত দত্ত, পলাশ দে, পলাশ গোস্বামী, ইশিতা দে সরকার, মণিশঙ্কর বিশ্বাস, সৌমিত বসু,রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় , কমলেশ কুমার, প্রবীর দাস, সৌমাল্য গড়াই, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিম কুমার বর্মন, অঞ্জন দাস, সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়,শ্যামাপদ মালাকার, প্রিয়ব্রত দত্ত
♦
সুদীপ বসু, উত্তম দত্ত, মণিশঙ্কর
পাঠক সেনগুপ্ত, জয়দীপ রায়, গাছবন্ধু
♦
মলয় গোস্বামীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়

বিগত সংখ্যা থেকে

জয়দেব বাউরীর কবিতা

উপেক্ষাগুচ্ছ

এসো খিদে এসো খিদে নিখোঁজের দিকে চলো শিরা
লেখা তবে তথাগত, তপোবন, নীলাচলে গোরা!

তমাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

বন্দিশ

বিভিন্ন ব্যথার কাছে মুহূর্ত সাজিয়ে বসে থাকি।
হে মুগ্ধরাগিনীশব্দ! অপেক্ষাই আমার কাহিনি।

নিত্যানন্দ দত্তের কবিতা

ভাঙন

নিবিড় শস্যের ভেতর হেঁটে যায় মাধুকরী হাওয়া …
জমিকে দ্বিখণ্ড করে অপরাধী আলপথ শুয়ে থাকে একা

প্রবন্ধ

আমি অপেক্ষা করছিলাম

সুদীপ বসু

এমন সময় একদিন তাঁর কাছে হঠাৎ একটি ফোন এল, কুইনের খোঁজ করে। চমকে গেলেন অস্টার। কুইন তো তাঁর প্রথম উপন্যাসের চরিত্র। জিজ্ঞেস করলেন কুইন বানানটা বলুন তো। অর্থাৎ কোন কুইনকে চান Quinn না Queen? ফোনের কন্ঠস্বর স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল সে কুইনকেই (Q-u-i-n-n) চায়। আকস্মিক ভয়ে-দ্বিধায় অপ্রস্তুত অস্টার ‘রং নাম্বার …. এখানে ও নামে কেউ থাকে না’ বলে ফোন কেটে দিলেন। শিহরণ খেলে গেল তাঁর সারা শরীরে।

আগুনের গোলা আর নীলকণ্ঠ পাখি

উত্তম দত্ত

রক্তকরবীর নন্দিনী এক আশ্চর্য ধ্রুবতারা। হতাশা আর ঘন তমসার মধ্যে এক অলৌকিক আলোর বার্তা, এক প্রাণদায়ী প্রেম ও সৌন্দর্যের নিশান নিয়ে আসে ঈশানীপাড়ার নন্দিনী। আজীবন বামপন্থী আদর্শে বিশ্বাসী (শুনেছি পার্টি তাঁকে ছাঁটাই করেছিল ‘দেশ’ পত্রিকায় কবিতা লেখার অপরাধে, কিন্তু তিনি নিজে কখনও বামপন্থী সংগ্রামী আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি, অথবা সুবিধেবাদী কবি ও লেখকদের মতো রাতারাতি জামা পালটে অন্য দলে যোগদান করেননি) জয়দেব তাঁর চারপাশের মলিন ও অন্ধকার রন্ধ্রে রন্ধ্রে খুঁজে বেড়িয়েছেন নন্দিনীকে

আমি লিখছি, স্বপ্নের প্রজাপতি আর প্রজাপতির স্বপ্ন। এর মধ্যে কোনটা আসল? রূপের মধ্যে অরূপের খোঁজ। এটাই তো আসল। না? এটাই তো কবিতা। একটা গান, ধর, বড়ে গুলাম আলি গাইছেন মল্লার, কী মোৎজার্ট-এর সোনাটা। সুর জানি না। কিন্তু শুনছি। সুরের মূর্ছনাটুকু থেকে যাচ্ছে। মনে হল, মনের মধ্যে বৃষ্টি পড়ছে। এটাই তো সব। মনের মধ্যে কে ডাকল। এই ডাকটাই আমাদের টানে। আমি হয়ত আমাদের মদনগোপালকে মাঝরাতে জেগে উঠে বলতে চাই, আমার সঙ্গে যাবি? কিন্তু লিখছি কী? না, আমি পাশবালিশকে জড়িয়ে ধরে বললাম, যাবি? এই তো কবিতার রহস্য। এখন, এই চল্লিশ বছর লেখার পরে দেখি, সবেতেই কবিতা। মাকে বাড়ি ফিরে বললাম, মা ভাত দাও। বলেই মনে হল, আরে! মা তো নেই। তাহলে? লাইনটা তো কবিতা হয়ে গেল!

আগস্ট ২০১৯

একাদশ বর্ষ , তৃতীয় সংখ্যা

একাদশ বর্ষ , দ্বিতীয় সংখ্যা

জুন সংখ্যা ২১৯

একাদশ বর্ষ , প্রথম সংখ্যা

মন্তব্য করুন