সাপ্তাহিক কবিতা আশ্রম, ২১ চৈত্র ১৪২৭
সাপ্তাহিক
২১ চৈত্র ১৪২৭
Painting: Gerhard Richter
তপন পাত্র
পরমা
সে কি সুন্দর?
আমি জানি না…
শাল-মহুলের মাঝে সে যখন দাঁড়িয়ে,
অনেকটা লম্বা ছায়া পড়েছে মাটিতে
এলোমেলো ঝরা পাতার উপর।
আমার ভিতর
নীরব-চিৎকার করে বলছে—
সুন্দর ! সুন্দর !
সে সুন্দর কি না
আমি জানি না
আজ পূর্ণ চাঁদে হেলান দিয়ে সে দাঁড়িয়ে
আমার দু’কুল প্লাবন তুলে বলছে—
সুন্দর ! সুন্দর !
কচি কচি শালপাতা হাসছে
মহুলের ফুলগুলি টুপ্ টুপ্ টুপ্…
শাল মহুলের বন যখন চাঁদের আলোয় ভাসছে
সে আধো বচনে কিছু বলছে—
মানেই গান।
সে আধো চরণে গভীর গহনে চলছে—
মানে নাচ।
আমি নিশ্চিত সে সুন্দর
সে সুরে ও তালে বলছে—
প্রকৃতি তোমাকে বন্দনা করি,
জহার—
জহার—
আমার সম্বল শুধু শাল ও মহুয়ার ফুল,
তোমাকে প্রণাম করে আজ প্রথম
মাথায় গুঁজেছি আমি শালের মঞ্জরি,
তোমাকে প্রণাম করে পান করেছি মহুয়া ফুলের রস।
তোমার পূজার পর কচি পাতায়
এই তো সাজিয়ে নিলাম সবার আহার
হে প্রকৃতি
জহার—
জহার— ।।
আমি তার প্রার্থনা শুনেছি
আমি তার নিবেদন দু’চোখে দেখলাম—
সে কে
আমি জানি না
সে কে
আমি চিনি না।
আমি নিশ্চিত, সে সুন্দর।
সে-ই আমার পরমা প্রকৃতি
“জাহের এরা”।
রাত যত গভীর হয়
তার হাত ধরেই ধীর পায়ে দুলতে দুলতে
শাল মহুয়ার চূড়ায় নেমে আসে
“সৌগিঞ সেরমারেন কুনৌমী চাঁদ”,
মাথার খোঁপায়
“আয়মা আয়মা ইপিল্”
সুগন্ধি শাল ফুল।
অনঞ্জন
স্বপ্নের সঙ্গে দেখা
স্বপ্নের সঙ্গে আমার দেখা অগ্নিকুণ্ডকে সাক্ষী রেখে
তারপর থেকে মুখ-দেখাদেখি চলেছে তো চলেছেই,
সকালের শিশির-দর্পণে, দেখি, স্বপ্নের চোখে কান্না
সেইসব অভিমানিনী স্বপ্ন, যাদের আর দেখা হয় না,
কান্না-ভেজা চোখে প্রশ্ন করে- ‘তুমি হারাবে আর কত?’
মাথার ভেতর হলুদ শস্যের স্তূপ গুনতে গুনতে
বিহ্বলে তাকাই স্বপ্নের দিকে, অবিশ্বাসে নিজের দিকে,
আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা এ জীবন- মোহের বাঁধনে হাঁসফাঁস,
তৃষ্ণা মিটতে মিটতে শেষ হয় নদীর চলা, চড়া পড়ে,
গোধূলি যেন সমস্বরে বলে- ‘তুমি হারাবে আর কত?’
রবীন বসু
সুগন্ধ-প্রত্যাশী
চন্দন গাছের কাছে বসে ছিল কেউ।
সে ঠগ প্রতারক বা চন্দনদস্যু হতেই পারে
তার সঙ্গে কবিতার কোন সম্পর্ক নাও থাকতে পারে
তবু সে সুগন্ধ-প্রত্যাশী;
গভীর অন্ধকারে জেগে আছে ঘ্রাণ
ঝরা পাতার বুকে বর্ণের অবলেপ
সম্মিলিত ঔৎসুক্য নিয়ে ভ্রমণের নেশা
রাত্রিচর স্তব্ধতাকে পাশে নিয়ে হাঁটে।
গুহামুখ বসে আছে প্রবল আগ্রহে
প্রাচীন কারুকাজ নিয়ে শ্যাওলার উদ্ভাস
সময়বাহিত এই উড়ে আসে ইতিহাস-ফসিল
প্রাগৈতিহাসিক দিনলিপি হাত রাখে মগ্নতায়;
সভ্যতা কেঁদেই চলে, সক্রোধ চিৎকার…
তাকে শান্ত করে একমাত্র জঙ্গলের চন্দন গাছ।
Painting: Gerhard Richter
জয়দেব বাউরী
শ্রোতার আসন থেকে
শ্রোতার আসন থেকে টানটান উঠে দাঁড়াতেই
মাইক, বিকট শব্দ করে নেমে যাচ্ছে খাদে; কথা
পিঠে কথা ছুঁড়তেই নড়বড় করছে মঞ্চ!
ছোটখাটো টুইটেই ফনা তুলছে অন্ধকার
আর, চকমক করছে খাপ খোলা হিংস্রতা!
আমি সবার পিছনে বসা লতাগুল্ম ঝোপ; এই
পিরামিড ভুখণ্ডের নীচে থাকা সামান্য সবুজ।
আমি ভূমি বরাবর পড়ে থাকা কুচি কুচি রোদ,
তোমার দু’চোখে গিয়ে পড়তেই অই অতটা উঁচুতে
বসেও ব্রম্ভাণ্ড জুড়ে সর্ষে ফুল দেখছ তুমি চোখ
থেকে সরে যাচ্ছে চোখ। আর, সামান্য ইশারাতেই
দিকে দিকে স্ফীত হচ্ছে আর্ম, গর্জন করছে মূঢ়তা!
অজস্র শোনার পর আমি আমার কথা
বলব বলেই উঠে দাঁড়িয়েছি! জল আর
জঙ্গলের কথা বলব বলে উঠে দাঁড়িয়েছি! ধূ ধূ
প্রান্তরের উপেক্ষিত অন্তরাত্মা খুলে খুলে
দেখাব বলেই আমি উঠে দাঁড়িয়েছি! স্লোগান পীড়িত ভূমি
রঙে রঙে মাতোয়ারা ভূমি। শুধুমাত্র সামান্য প্রশ্নেই
তোমার থাবার থেকে বেরিয়ে আসছে নখ উল্লসিত হচ্ছে
তৈলাক্ত বাঁশ! গলার থেকে ছিটকে আসছে অগ্নিপিণ্ড, গোলা!
তবু, এই আমি দাঁড়ালাম। আমি এই দাঁড়ালাম, ঋজু শালগাছ!
সবর্ণা চট্টোপাধ্যায়
কথাদের ফাঁকে
কথাদের ফাঁকে রেখেছি যেসব টান
পিছনে তাকাও, বাড়িয়েছি শূন্যতা
তুমিও তখন একা একা ছিলে রাত
ভাঙতে ভাঙতে মুচড়ে ফেলছ হাত…
কেমন করে বা জানব বলতো প্রিয়?
যোগাযোগহীন বার্তালাপের পর
মনে মনে শুধু ভাবি তুমি ভাল থেকো
আমিও যেমন রেখেছি, তেমন রেখো।
জানি পথহীন অদৃশ্য সেই সেতু
রেখাগুলো যেন মিলছে আলোর মতো
তর্জনী ছুঁয়ে ঘুরছে জলের খেলা
চাঁদের শরীরে গভীর হচ্ছে ক্ষত।
ক্লান্ত চোখেতে তাকিয়ে যেমন আছো
পারবে না জানি গুছিয়ে বলতে কিছু,
বুঝে নেব ঠিক, যতই দূরেতে থাকি
কি করে ও চোখ দেবে আমাকেই ফাঁকি?
এটুকু বুঝেছি তুমিও আমারই মতো
মুহূর্তদের সাজিয়েছ অক্ষত!
Painting: Gerhard Richter
“হৃদয়ের গান শিখে তো...”
পর্ব-১৭
ফাল্গুনী ভট্টাচার্য
ভাদ্রের বিকেল থেকে এক নাগাড়ে ঝোড়ো হাওয়া দিচ্ছে আর খুব বৃষ্টি হচ্ছে। আশ্রমের চারদিকে প্রাচীরের গায়ে গায়ে বেড়ে ওঠা সুপুরি ও নারকেল গাছগুলো মাঝে মাঝে বেঁকে যাচ্ছে আবার উপরে উঠে যেতেই আবার নামিয়ে আনছে তাদের মাথা। লাইব্রেরির গা ঘেঁষা পুকুরের বাঁ-দিকের বড় বড় দুটো কৃষ্ণচূড়া গাছ। সব ভিজে যাচ্ছে বারিধারায়। ঝুপঝুপ ছলছল ছিনছিন সপসপ নানা শব্দে জল ঝরে পড়ছে। এদিকে ছাত্রাবাস লাগোয়া স্বর্ণচাঁপা গাছটিও আপাদমস্তক পান করছে বৃষ্টির ধারা। সন্ধ্যের উপাসনা সেরে তোমরা ছাতা নিয়ে কোনোরকমে রাতের খাবার খেয়ে এলে। তারপর সারারাত্তির বৃষ্টি ঝড়ের সাক্ষী থাকলে। টালির চালের ওপর ঝুনো নারকেল পড়ল, টালি ফেটে ঘরে জল ঢুকতে লাগল। বিবেকানন্দের ঘরে গিয়ে শুলে। কিন্তু শুলেই কি আর ঘুম আসে? এ কথা সে কথার পর তুমি বললে, ‘আচ্ছা বিবেকানন্দ, তুমি টেলিপ্যাথি বিশ্বাস কর?’ বিবেকানন্দ হেসে বললে, তেমন কিছু অভিজ্ঞতা নাই আমার।’
-‘এমন কখনও হয়েছে কি যার কথা তুমি ভাবছ- সে-ও তোমাকে ভাবছে? যেমন ধরো, এই ক’দিন ধরে আমার দাদুর কথা মনে পড়ছে খুউব। এখন হয়তো দাদুও আমার কথা ভাবছেন। আমি কিন্তু বিশ্বাস করি বিবেকানন্দ।’
বিবেকানন্দ বললে, ‘তোমার কথা হয়তো ঠিক, মন যখন আছে, তখন মনের প্রবাহও আছে। সে যেতে পারে বহুদূরে। গিয়ে কোনো সঙ্কেত দিতে পারে। সব-ই হয়তো সম্ভব।’
পরের দিন দুপুরের দিকে রেণুকণাদি একটা পোস্টকার্ড তোমার হাতে দিলেন। বাবা লিখেছেন। দাদুর মৃত্যু সংবাদ। তুমি কেমন চুপ মেরে গেলে। রেণুদির সামনে থামের মতো দাঁড়িয়ে থাকলে। চিঠি আসতে আট দিন লেগেছে। সকাল থেকেই ঝিরঝিরি বৃষ্টি। কাল রাতের ভারি বৃষ্টির জল এখনো মাঠে জমে আছে। রেণুকণাদি বললেন, ‘মন খারাপ কোরো না, একবার বাড়ি চলে যাও।’হাতে কিছু টাকা দিলেন। পরের দিন সকাল বেলা লোকাল ধরে বর্ধমান, তারপর রামপুরহাট লোকাল ধরে কোপাই স্টেশনে নামলে।
আজ বেশ রোদ, একটা ভ্যাপসা গরম। ঘেমে উঠেছ। পায়ের স্যান্ডেলও ভিজে গেছে ঘামে। চাষ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। মাঠে মাঠে আমন ধানের গুছিতে সবুজ খেলা করছে। আগাম লাগানো জমিতে নিড়ুনি চলছে। কতদিন পর এলে। ওই তো আলবাঁধা হাই স্কুল উঁকি মারছে। সব কেমন নতুন নতুন লাগছে। ক্যানেলের জল ছেড়েছে। কিছু মানুষ খেপ জাল, ত্রিকোণ জাল নিয়ে মাছের খোঁজ করছে। খাড়ুই ভরে উঠছে চুনো পুঁটি কই মাগুরে। আর বড় বড় শামুক। কেঊ নিজের জমিতে জল ভরে নিচ্ছে। বাঁদরলাঠি গাছতলায় বেশ কিছু মেয়ে মরদ বসে জিরোচ্ছে। গামছা পেতে মুড়ি গুড় মাখিয়ে মুঠো করে তুলে নিচ্ছে। পাশে রাখা ঝকঝকে পিতলের জগে বালতিতে খাবার জল। মনোরঞ্জন জমি থেকে উঠে এসে বলল,’ বন্ধু, শুনেছি। তাহলে দাদু চলে গেল?’ তুমি শুকনো হাসলে। মনোরঞ্জন বললে, ‘কী আর করবি! যা তাড়াতাড়ি ঘরকে যা। আজ যা তা রোদ আর ভ্যাপসানি।’ জয়সাগর কুলবুনি বাঁকা খেজুরগাছ পেরিয়ে এসে দেখলে বোলপুরের চন্দ্রবাবুদের জমিতে সাবমার্সিবল পাম্প চলতি কথায় ‘শ্যালো’বসেছে। কাঁচের মতো জল উঠছে। আর উঁচু জমিতে ভরে মাটি কাদানো হচ্ছে। ‘নামলা চাষ’ মানে শেষবেলায় বাকি জমিতে ধান পোঁতার কাজ হবে।
গ্রামে ঢুকতেই বড় পাকুর গাছ। তারপর কালীতলা। বেল আম আঁশফল নাকুড় গাছের শীতল ছায়ায় মাঝে মাঝে দাদু লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতেন। দীর্ঘ চেহারা। ছ ফুট এক ইঞ্চি। হাতে লম্বা লাঠি। অপরিচিত মুখ দেখলে বা কাউকে চিনতে না পারলে বলতেন-‘ কে ভাই?’ মনটা খাঁ খাঁ করে উঠলো। যাবার আগে দাদুর মন কি এই সুন্দর পৃথিবীর জন্য, এত সুর এত গান, এই নাতিপুতিকলরবমুখর উঠোনখানির জন্য খাঁ খাঁ করে নি? টেলিপ্যাথি কী নেই?
এখন মৃত্য তোমাকে আর ভয় দেখাতে পারে না। চন্দননগরের ঐ গঙ্গার ঘাটে প্রতিদিন কত মানুষের দেহ দাউদাউ করে পোড়ে। চান করতে গিয়ে মড়া পোড়ানোর গন্ধটা সয়ে গেছে। কত ইনিয়েবিনিয়ে কান্না আর সঙ্গে হরিনামের দলের গান, ধূপের গন্ধ বাতাসা খই ছড়ানো… কখনো আলতাপরা রাঙা দুটি পা উঁকি মারে। কখনো এলিয়ে পড়া মাথা। দুলতে দুলতে যায়। কখনও আবার তুলসী পাতায় ঢাকা চোখ। যেন বলছে,- এই মরজগতে যা দেখে গেলাম সবই ফাঁকি- বুজরুকি, মায়া। অথবা বলছে,- এই মানবজীবনে যা দেখলাম তা তুলনাহীন। আর কিছু দেখব না। দেখতে চাই না। তাই তো চোখ ঢেকেছি তুলসীপাতায়। যেন বলছে—শোন হে জগজন, শোনো- আশি লক্ষ যোনি ভ্রমণের পরে পাওয়া এই মানবজীবন আর পাবে না
খুব দেখে নাও দু’চোখ ভরে সূয্যি চাঁদ উঠছে
গাছে গাছে ফুল ফুটছে
সাগর নদী ঝোরা বইছে
পাখপাখালি গাইছে
পুরুষ নারীকে ডাকছে। কাছে ঘেঁষে বসছে । ভালবাসছে। দূরে যাচ্ছে। আবার কাছে আসছে।
শিশু হাসছে। কাঁদছে। পড়ছে উঠছে। পড়ছে। উঠছে।
কী আনন্দ কী আনন্দ আহা কী আনন্দ!
ওই যে পরম দয়াল প্রেম দিয়ে এই ভুবনমোহন রূপ দেখাচ্ছেন
কী বিচিত্র বিশ্বরূপ দেখাচ্ছেন
কে বলে এ মায়া? কে বলে এ প্রপঞ্চ? কে বলে জগৎ মিথ্যা?
সত্য হে সত্য। সত্যই সুন্দর। সুন্দরকে ভজ। ভজ কৃষ্ণ। ভজ গৌর হরি।
চোখ ভরে দেখে যেও।
আমি আগে আগে গেলাম।
তোমরা জীবন ধন্য করে পূর্ণ করে পরে পরে এসো।
এই সুন্দর জীবন আর কী হবে গো!
দুচোখ ভরে নিয়ে যাচ্ছি এই মর্ত্যলোকের মধু সুধা অমৃত
ওঁ মধু ওঁ মধু ওঁ মধু…
মা বলল, ‘যা একেবারে কালীসায়েরে তিন ডুব দিয়ে আয়। এই নে ঘটি আর ছোলা-বাতাসা। বেনাগাছ পোঁতা হয়েছে। দাদুকে জল দিয়ে আসবি।’ বর্ষার জলে পুকুর থই থই। পাশেই পাখখোলা উবুড় করা। ডুবে এসে পাখখোলা খুলে ছোলা বাতাসা দিয়ে দাদুকে জল দিলে তুমি, আর ঠিক সেই সময়ে তোমার মনে হল কে যেন ডেকে উঠল- “ফাগুন ফাগুন, কেমন আছো ভাই?”। পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত কেঁপে উঠল তোমার। বুকের কাছে কেমন ছ্যাঁৎ করে উঠল। কিছুক্ষণ ওই শিউরে ওঠা ভাবটা তোমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখল। তারপর আর এক ডুব দিয়ে উঠে এলে। মনে পড়ে গেল দাদু প্রায়ই গোলাম মোস্তফার এই কবিতাটা বলতেন,-
“সকলই ছাড়িয়া যাব এ জগৎ পড়ে রবে পিছু
আর আমি দু’নয়নে এ বিশ্বের হেরিব না কিছু…”
কালীসায়েরের পাড়ে গুলঞ আর মনসা গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে ফাল্গুনী তোমার মন হু হু করে উঠল।
গত নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত সন্মাত্রানন্দের অসামান্য উপন্যাস 'মেঘবতী'-র বারোটি অধ্যায় পড়ুন
পূর্ববর্তী সংখ্যা
পড়তে পারেন:
এখন বাড়িতে বসেই সংগ্রহ করতে পারবেন আমাদের প্রকাশিত বইগুলি। ভিজিট করুন আমাদের অনলাইন সপ, আর কিনুন আমাদের বই। নিচের BUY NOW বোতামে ক্লিক/ট্যাপ করলে পৌঁছে যাবেন আমাদের সপ পেজে।