Painting: S H Raja

গৌতম গুহ রায়

কাচের গোলক

শুকনো পাতা ও ভেজা মাটি সরিয়ে যখন

কম্পাস উঠে আসে হাতে

তোমরা মনে করো ভূমধ্যসাগর ও তৈলকূপ,

একটা চকচকে বন্দরের বাতিঘর থেকে 

ছুড়ে দেওয়া কাচের গোলক, 

অনেকটা আমারই মাথার মতো

গোল, লুকিয়ে লুকিয়ে নিয়ে এলে,

ভাবলে যে আমাকেই লুকিয়ে রাখলে গোপন সিন্দুকে ।

কিন্তু লবনের ছোঁয়ায় ততক্ষণে কাঁচ প্রাণ ফিরে পাচ্ছে

নেশাতুর তুমি দেখোনি । দুহাতে চেপে ধরো

ব্যক্তিগত কম্পাস, দিকভ্রান্ত আমি

তাই অন্ধকূপে পা রেখে তোমাকেই ডাকছি

‘হে বন্ধু, 

তেলকূপের কাছেই তোমাদের নৌকাডুবি হয়েছিল

ভূমধ্যসাগরে ভেসে গেছে কাচের গোলক’। 

সুবীর সরকার

যুদ্ধ

গেরিলাযুদ্ধের পর স্তবগান।

ভেসে যাই পুকুরের নীল জলে

কান্না কি প্রখরভাবে অতলান্ত!

একা হয়ে যেতে হয়।

ধর্মঘটের শহরে হ্যাট পড়া নায়ক ঘুরে

                                        বেড়ান

 পড়ে থাকে বেড়াল, ঢেকিঘর

                                      ও

                                      পালাগান

সোনালী মিত্র

বিধবাবৌমন

সান্ত্বনা দিতেই পারতাম! সকাল সন্ধ্যায় উঁকি মেরে 

খোঁজখবর নেওয়াও যেত। এসব না করে ভাবি

রাতেরবেলায় কে তোমার পাশে শোবে?

                           মৃদু চিমটি কাটবে

নাভি ও তলপেটের চারপাশে।

             আর ঘুম ভেঙে যাওয়া ভোরে

কে তোমাকে জাগিয়ে শেখাবে-

           পাখিদের সুরের চেয়েও নমনীয় 

এক সুরে আছে পুরুষে-নারীতে ওই ভোরে। 

তুমি তো এখনও শেখোনি শরীর লুকনোর খেলা 

বিগড়ে যদিও না যাও-পদক্ষলন তোমাকে ডাকবে

অন্ধকারে পা ফেলে হাঁটতে পারবে না মনে করে 

আমি আমার প্রতিভাধরকে পাহারাদার নিযুক্ত করে

                              রেখে যেতে চাই 

 

এই মুহূর্তে এসব কথা বলা ঠিক নয়,

                         তুমি ভাবছ, তোমার মধ্যে 

প্রবেশ করতে করতে নিজেকে নিহত করি,

                         তোমার জন্যই

অনঞ্জন

এত চলার পরেও

এই এতদূর পৌঁছে তার হঠাৎ মনে হয় 

কোন ঝর্না-পাশে জ্যোৎস্নায় কখনও বসা হয়নি, 

চাঁদের সঙ্গে সঙ্গে এত চলার পরেও তার 

আফসোস হয়। অপেক্ষায় থাকে কখন হবে রাত্রি-

একটু জ্যোৎস্না পেলে একা গিয়ে বসে ঝর্ণার পাশে, 

যেমন বসে তাপস; জ্যোৎস্না এলেপর সে দেখে 

তার সারা গায়ে কালশিটে, ঝর্ণার হাওয়ায় জেগে 

নীল হয়ে আছে তারা, এতদিন খেয়াল করেনি 

চাঁদের সঙ্গে এত চলার পরেও, মায়া হয়, 

তার মায়া দেখে হু-হু ক’রে ওঠে জ্যোৎস্না, আর 

খুলে খুলে দেখায় তার ক্ষত, একটু একটু ক’রে, 

সেইক্ষণে সে বোঝে- আজ এই ঝর্ণাপাড়ে না বসলে 

সে জানতেও পারত না জ্যোৎস্নার আসল পরিচয়, 

চাঁদের সঙ্গে এত চলার পরেও।

Painting: S H Raja

মণিদীপা বিশ্বাস কীর্তনিয়া

গোঙা গোপালের ঘুড়ি ও অনন্তপুর

স্বচ্ছতার মানে কী তাহলে বলো?
ছবির ভেতর যদি ডিঙি উল্টে যায়
আর কাচ ভাঙে রোজ রোজ
কাঁচা লালে পাক খায় অনন্তপুর
গোল্লাছুটের মতো যে সমস্ত খেলা আর সুর
সহজ আকাশ ভেবে ওড়ে
ঘুড়ি হাতে গোঙা গোপাল আছে
অথচ ডানা জানা নাই
অনামুখো হাওয়াও পাছ ঘুরে থাকে
শূন্যর সাঁকো ধরে লাটাই ঘোরাও তবে
হাওয়া ধরে ধরে সুতো ছাড়ো,
মায়া করে নাকি খুব?
বাওড়ের জল তাই খেলা দেয়
কাঠামো ভাসিয়ে আনে, জরিপাড় চালচিত্র
ফুলে ঢোল নিঁখোজ সংবাদ
ঘুড়িও নিমজ্জমান
সুতোর রাস্তা খুলে নিচু করে ফাঁকা বুক,
গান ভেবে পাথর কুড়োয় হাবা ছেলে
কাদামাখা নুড়িতে মিড় ও গমকে ভরা তরঙ্গফুল
টেমি জ্বেলে নৌকোয় কাত হয়ে পড়ে রাত
হাড়ি ডেক হাতায় টকেওঠা গানের মতো হালসাকিন তার
ডুবে গেছে চিদাকাশ টুকরো টাকরা কাচে বিঁধেছে আমূল
ওল্টানো ডিঙির ছবিতে দেয়ালা করেছে দূর
অচেতন ঘুমের বালক… তার ঘুড়ি ও অনন্তপুর…

বারো পর্বের ধারবাহিক

“ঘরের কাছে আরশিনগর”

পর্ব-৯

ভাদু লো সই

রামানুজ মুখোপাধ্যায়

ভুবনডাঙার ভাদুগানের দল সন্ধেবেলায় গান শোনাতে আসত শান্তিনিকেতনে শিল্পী মুকুলচন্দ্র দে-র ‘চিত্রলেখা’ বাড়িতে। দক্ষিণের বারান্দায় ভাদুর কাঠের পুতুলটি রেখে শুরু হত গান। শিল্পী মুকুলচন্দ্র দে আঁকতেন নাচগানের ছবি, আর বীণা দে তাঁর খাতায় লিখে রাখতেন সেই বছরের ভাদুগানটি। দলের মূল গায়ক জ্ঞানেন্দ্রদাস বায়েন ১৯৫৭-য় শুনিয়েছিলেন এই গান:

ভাদু বাঁচি না আর জীবনে

দেশের কারণে।

সন ১৩৬৪ সালে

পচা ধানের চালগুলি সব

দিচ্ছে কন্টোলে

পচা চেলের ও ভাত খেলে গো

দেশে ইনফুলেঞ্জার ধরেচে

এ-গানে শোনা গিয়েছিল ঘরের প্রায় সকলের রোগযন্ত্রণা আর অর্থের অভাবে ঘরে ডাক্তার ডাকতে ব্যর্থ হওয়ার কথা। রাঢ়বাংলার প্রান্তবর্তী গ্রামগুলিতে প্রচলিত ভাদুগানে যেমন মানুষের অভাব-অনটনের কথা ছবি ফুটে উঠেছে, তেমনি সমাজ-সচেতনতার পরিচয়ও আছে। লোকগানে কীভাবে-যে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে আমাদের সামাজিক ইতিহাস, তা হয়তো আমরা সব সময় লক্ষও করি না। গাঁয়ের একজন দেহাতি শিল্পী কত সহজে গেয়ে উঠতে পারেন: ‘পেটে নাইকো ভাত ভাদু পিছে নাই টেনা/ তবু এ-দেশ নিয়ে ভাদু হয় বেচাকেনা!’ কোপাই পেরিয়ে শেয়ালা গ্রামের শিল্পী ক্ষুদিরাম হাজরা গাইছেন এই গান:

তামা রূপা গেল গো ডুবি

নয়া পয়সা উঠেছে দেশে

ছয় পয়সাতে হয় এক আনা

ভাদু বারো পয়সায় হয় দু-আনা

আবার উনিশ পয়সা দিলে পরে

তবে হবে তিন আনা।

গ্রামীণ মানুষের শিক্ষাদীক্ষা নেই। একশো পয়সার হিসেব তাঁরা বুঝতে পারেন না। তাঁরা ঘরে-ঘরে শুধিয়ে হিসেবটুকু বুঝে নিতে চান। তাতে ঠকবার ভয় থাকে প্রতিনিয়ত। এ-গানের গীতিকার কে, আমরা জানতে পারিনি। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে অজয়ের দক্ষিণ কোলে অযোধ্যা গ্রামের সান্ধ্য আসরে শোনা গিয়েছিল এই গান: ‘ভাদু পড়তে জানে না, ভাদু লিখতে জানে না/ এক টাকার কয়েনকে ভাদু বলছে আট আনা!’  টিপছাপ দেওয়া একজন শ্রমজীবী মানুষ যখন অনেকটা বয়সে পৌঁছে নামসই করতে শেখেন, তখন তাঁর আনন্দটুকুও ধরা থাকে ভাদুগানে: ‘আমি লিখতে শিখেছি, আমি পড়তে শিখেছি/ দ্যাখ গো চেয়ে, ও ভাদুর মা, সই করেছি!’ এইসব গান বেঁধেছিলেন অযোধ্যা গ্রামের রামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (জন্ম ১৯৫৭)। গাইত সেখানকার কুমাই বাগদি-উত্তম বাগদির দলের যুবকরা। দেখছি, অজয়-তীরবর্তী গ্রামগুলিতে প্রচলিত গানের পাশাপাশি নতুন গান বাঁধার প্রবণতা বেশ আশাপ্রদ। শুধু অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষরা নন, অনেক স্বশিক্ষিত গ্রামীণ মানুষ ভাদুগান লিখছেন। শ্রমজীবী মানুষরা এই স্বশিক্ষিতজনের বাঁধা গান পরিবেশন করছেন মনের আনন্দে। যখন গ্রামেগঞ্জে শুরু হয়েছিল বয়স্ক মানুষদের শিক্ষার উদ্যোগ, তখন লেখা হয়েছিল এমন গান: ‘ভাদুমনি গো, লেখাপড়া শেখো গো এবার রেতের ইস্কুলে/ আমরা এবার পড়ব সবাই পড়ব সবাই রেতে বই খুলে।’ গীতিকারের সন্ধানে আমরা চলে যাই লাভপুরে লাঙলহাটা বিলের কাছে বাকুল গ্রামে। আজ থেকে তিন দশক আগে সে-গ্রামের শিল্পী গৌরগোপাল পাল (জন্ম ১৯৫৫) গান বেঁধেছিলেন:

ও ভাদু, বাঁচি না আর পরানে — দেখে শুনে দেশের হাল!

নব্বই টাকা পোস্তর কিলো, ছ-টাকা সের ভাতের চাল।

দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি আর ব্যবসায়ীদের কালোবাজারির সংকটের কথা বলছে এ-গান। যাঁরা সাধারণ মানুষ, অর্থনীতির জটিল অঙ্ক বুঝতে পারেন না, তাঁদের কাছে এইসব গানই সচেতনতার সোপান হয়ে ওঠে।

 

অজয়ের ওপারে আউশগ্রামের জঙ্গলের কোলে ছবির মতো একটি গ্রাম কুরুম্বা। সে-গ্রামের মৃত্যুঞ্জয় পাল (জন্ম ১৯৬৪) লোকগান বাঁধেন। এই কাছাকাছি সময়েই তিনি গেয়েছিলেন:

শাওন শেষে ভাদ্র মাসে

ভাদু এল ওই

তাকে আদর করে ঘরে তোলার

যোগ্য মোরা নই।

গাবা হিঁচে মাছ ধরেছি ডাঁরকে-পুঁটি কত

শুশুনির শাক, কলমিলতা রাঁধো মনের মতো

গরিব ঘরে আর কী আছে, কোথা পাব মিষ্টি দই।

শামুক ভাজা, কাঁকড়া পোড়া, চালের গুঁড়ি, তালের বড়া

ঘরের কচিকাঁচা ওঠে মেতে পাড়াতে হইচই।

শাওন শেষে ভাদ্র মাসে

ভাদু এল ওই।

‘গাবা’ বলতে ছোট্টো জলাশয়কে বোঝায়। এমন অনাবিল গ্রামজীবনের ছবি আমাদের মুগ্ধ করে আজও। ভাদ্র মাসের উৎসব ভাদু। মাঠে-মাঠে আউশ ধান। কচি ধানের শিস নিয়ে আসে আগামী অঘ্রানের বার্তা। রাঢ়বঙ্গের সর্বত্র-যে সমান ফলনশীল চাষ হয়, তা নয়। রুখু মাটির বুকে জলকষ্ট তো থাকেই। থাকে খেটেখাওয়া মানুষের ঘরে অন্নসংকট। ভাদু শস্যদেবীর প্রতীক হয়ে আসেন। সারাদিন গায়েগতরে খেটে সন্ধ্যাবেলায় পাড়ায়-পাড়ায় ভাদুর মূর্তিকে সামনে রেখে জমে ওঠে গান। কোথাও মেয়েরা, কোথাও-বা পুরুষদের দল। সঙ্গে ঢোলের লহর। ঘুরে-ঘুরে নাচতে থাকে কোনো কিশোরী। মাথায় রঙিন চেলি, পায়ে ঘুঙুর। অনেক সময় কোনো কিশোরকেই সাজিয়ে নেওয়া হয় কিশোরীর বেশে। ভাদুকে কন্যারূপে আরাধনা করা হয়। তাই গানগুলিতেও থাকে বাৎসল্যের নির্মল উদ্ভাস:

আমার ভাদু ছোটোছেলে পায়ে কে গো মল দিলে

ঝুমুক-ঝুমুক চলছে ভাদু কচি কচি পা ফেলে।

গ্রামে-গ্রামে শ্রমজীবী মানুষের গলায় ধ্বনিত হয়ে আসছে যে-সব ভাদুগান যে-সব গানের স্রষ্টা সব সময় অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষ নন। ‘প্রচলিত’ শব্দটির আড়ালে মুখ লুকিয়ে থাকছেন কত-যে সুপ্ত গীতিপ্রতিভা, কে আর তার হদিশ রাখেন! অজয়-তীরের গ্রামে বসে রামপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন এই গান:

লায়লি ধান নাচছে মাঠে নাচছে শালুক ফুল

ভাদর হাওয়ায় দুলছে ভাদুর ঝুমকো কানের দুল!

কাশফুল কি ঘাঘরা ভাদুর বাতাসে দোলে?

নাচতে হবে ভাদু ঘুঙুর বেঁধে লে।

এ-গান তো শুধু বাৎসল্যের নয়, নিসর্গেরও। শুদ্ধ কবিকল্পনা থেকেই এর জন্ম। প্রকৃতি যেন তার রূপৈশর্য দিয়ে সাজিয়ে দিচ্ছে আমাদের মাটির মেয়ে ভাদুমনিকে।

 

মনে পড়ে ফাল্গুনী ভট্টাচার্যের (জন্ম ১৯৬৯) লেখা ‘মধু গায়েন, সাকিন রতনপুর’ (২০০৪) উপন্যাসটির কথা। বিশ শতকের আশির দশকে কেমন করে বাজারি সংস্কৃতির দাপটে মুখ লুকিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছিল গ্রাম-বীরভূমের লোকসংগীত, বিশেষ করে ভাদুগান, তারই আখ্যান আছে এ-উপন্যাসে। আছে কোপাই-সংলগ্ন গ্রামজীবনের প্রত্যক্ষ ছায়াপাত। ভাদু কি শুধু বাৎসল্যের কথা বলবে? বলবে অভাব-অনটন, দুঃখ-কষ্টের কথা? এ-উপন্যাসে রতনপুরের মধু গায়েন শুনিয়েছিল বারো মাসের ভাদুগান। বৈশাখ থেকে শুরু হয়ে সে-গান শেষ হয়েছিল চৈত্রে:

ফাগুন মাসে আগুন জ্বলে বুকের পাঁজরে

ভালোবাসা লুকিয়ে কাঁদে দেহের ভাঁজেরে।

চৈত্র মাসেও কাছে আসার সময় হল না —

বন্ধু তোমায় ভালোবাসা আর হল না।

‘বারোমাস্যা’ মধ্যযুগের বাংলা কাব্যধারার একটি প্রচলিত রীতি। রাঢ়বঙ্গে ভাদুর বারোমাস্যা সুলভ নয়। উপন্যাসের কাহিনি-বিন্যাসের সঙ্গে মানানসই করে এ-গান ঔপন্যাসিক নিজেই গেঁথে নিয়েছেন। ফাল্গুনী ভট্টাচার্যের লেখা এই গানে আছে লোকায়ত কবিকল্পনার মাধুর্য। এতখানি দরদ দিয়ে ভাদুকে ভালোবেসেও উপন্যাসের মধু গায়েন তার গানের দলটিকে বাঁচিয়ে রাখতে পারেনি। বাস্তব হয়তো আরও কঠিন! এমন সহজ সরল ছবি লোকগানের আঙিনা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। ভিজে মাটির সোঁদা গন্ধ আছে এইসব গানে। আছে ভিটেমাটির টান। সময় বদলাবে, হয়তো তালে তাল রেখে বদলাবে আমাদের জীবনও। তবুও এই টানকে কি ভোলা যাবে সহজে? শাপলাশালুকে ঘেরা গ্রামের হাওয়ায় আমাদের ভাদুগান বেঁচে থাকবে চষা মাটির গন্ধে।

 

[যাঁদের ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে পেয়েছি তিনখানি ভাদুগান: শ্রদ্ধেয় সত্যশ্রী উকিল, কল্যাণীয় রাধামাধব মণ্ডল, স্নেহভাজন পীযূষ বিশ্বাস, তাঁদের কৃতজ্ঞতা জানাই। এই পর্বের জন্যে ভাদুগানের দলের ছবিটি এঁকে দিয়েছেন শান্তিনিকেতন-কলাভবনে শিল্পকলার ইতিহাসের স্নাতকোত্তরের কৃতী ছাত্রী ইন্দুলেখা ঘোষ। কৃতজ্ঞতা জানাই তাঁকে।]

Painting: S H Raja

পূর্ববর্তী সংখ্যা

পড়তে পারেন:

এখন বাড়িতে বসেই সংগ্রহ করতে পারবেন কবিতা আশ্রমের মুদ্রিত সংখ্যা এবং কবিতা আশ্রম প্রকাশনার বই। নীচের ছবির ওপর ক্লিক করলে পৌঁছে যাবেন আমাদের অনলাইন সপ পেজে। হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমেও অর্ডার করতে পারেন। যোগাযোগ: ৭৩৮৪১৭২৪০৪/ ৯৪৩৪৪৩১৩৬২