অর্ঘ্য দত্ত

অবৈধ

 

স্মৃতির পঞ্জিকা জানে

বিশ্বাসঘাতের গল্প লেখা হয় বাঁজা অন্ধকারে

 

শরীর‌ই মীরজাফর!  এইটুকু আমার প্রত্যয়

পৃথিবীর কোনো আত্মা শুয়োরেরবাচ্চা নয়…

 

চোখ খোলো ভানুমতী, আমাকে বাঁচাও
পছিয়াঁ ডেকেছ যাকে, বন্ধ্যা তার তূণীরের বায়ু

ম্লান তার যাদুদন্ড, নষ্ট মন্ত্র ধুলোয় লুটায়

 

আমার কি সাধ্য বলো
যে নদী জন্মান্ধ তাকে আলোর পায়েস রেঁধে দেবো!

২

 

কেন আজ মনে হল এ পথেই তুমি হেঁটেছিলে!
তোমার দেহের রেণু লেগে আছে আকন্দের গায়ে
সবুজ পানার জলে ভেসে আছে করুণ দু’চোখ

পাকে পাকে জড়িয়েছ বটকান্ডে গোপন বাসনা

 

এখানে আসিনি আগে, এই পথে কখনো হাঁটিনি
আমার কপাল ছোঁয়া এই আলো এই ছায়া বুঝি

বহুদূর জানালায়, ফুল ছাপ বিছানায় পড়ে…

 

ছুটির এ অবেলায় কী করছ? রাঁধা বাড়া শেষ?

এলানো উপুড় হয়ে চুমু খাচ্ছ রোদের শরীরে!

 

আমি যাই, খেতে বসি। কী দুর্দান্ত মাটন রেঁধেছে আজ ব‍‌উ…