বিনয় লাহা

প্রথম প্রেমের উপন্যাস 

ছিঁড়ে খাও ছিঁড়ে খাও তবে

হাড় মাংস লসিকা স্তন মেরু।

রক্তপিপাসু থেকে মেরুদন্ডহীন

কাঠের চাবুক দেগে দাও।

রাস্তায় রঙ দেখে জাতি দেখে

অকারন ছিঁড়ে খাও।

পদবীর গন্ধ মেখে যে ডাহুক গতকাল মারা গেছে

তারই হাড়গোড় পুড়িয়ে ফেলে ছাই মেখে

তারই চোখে চোখ রেখে উপড়ে দাও কটুক্তির বেড়াজাল।

দলবল বেড়ে গেলে

সহজাত হাসি বাড়ি ফিরে অংকে অংকে ধুয়ে দাও ইতিহাস।

আজ এ শ্রাবনে যদি সমস্ত প্রশ্নের শেষে উত্তর না পাও

দেগে দাও

দেগে দাও বাঘের মত।

যেভাবে ছায়া চলে নিহত হরিনের পাশে দাঁতে দাঁত রেখে

সিংহ ও বাঘিনীর বেশে।

ঠিক সেই ভাবে অপমান চিরে ফেলে সমস্ত অভিমান কবিতা হয়ে ওঠে।

আশ পাশে কেউ নেই

ধূর্ত শেয়ালের ডাকে কখন যে কবিতা শেষ হয়ে গেছে তা একমাত্র জানে

অপর্ণা সেনের হাসি ।

আর হিংসা নয়

সমস্ত ক্লেদের পাশে কবিতারা হয়ে উঠুক অরিজিতের গান।