সুভান

ঘষাকাচ

 

আমার মায়ার ঘর থেকে আমি একটু একটু করে

দূরে চলে যাচ্ছি গোঁসাই।

 

মায়া কাটছে না তবু…

 

কাচের গোলকের মধ্যে ভাসমান মাছ, জলহীন…

আমার চোখ রেখে এসেছি দূরের মাঠে,

আমার নিদ্রায় রেখেছি বাস্তুসাপ।

আমার সর্বনাশ আমি সাজিয়ে রেখেছি অক্ষরে।

 

পাতার ধর্ম থেকে খসে পড়া বায়ু, আজকাল ইঙ্গিতবহ স্বপ্ন দেখে।

আজন্মকাল আমি ঘোড়ার পিঠে সওয়ার। যাত্রা থামেনা।

 

এই যে হাওয়াচুরি হয়ে যাচ্ছে, তার আগাম পূর্বাভাষ

আমি অগোচরে লিখে গেছি তুমি পড়তে পারোনি।

নাব্যতার কাছে একহাঁটু জল অনর্গল সমুদ্র ছুঁতে চেয়েছিল।

একটা খাঁখাঁ মাঠের মধ্যে চৌকাঠ পেরিয়ে গেলেই

দুইদিকে দরজা খুলে যায়,

 

সেখানে কে বসে থাকে তোমার জন্য সুভাষ?

আত্ম পর  হল। পরের আপন হল ঢেউ।

সন্ধের কোনো সংজ্ঞা লিখি না আজকাল,

কিছু স্থির অবয়বের ভেতর চুপ করে থাকি।

সন্ধে হলে বন্ধু ফুরোয়, জানলা ফুরোয় ঘষাকাচে…